কাব্যক্রমে রেজুয়ান সরদার

    0
    16
    Spread the love
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  

    ১| শিকড়

    না ফুরোয় যেন এ পথ
    এমন সারি গাছের আঁধার ছেয়ে যাক,
    চারিদিকে আলোক-ঝাঁপটে জর্জরিত
    উত্তাল ঢেউয়ের মাঝে সমুদ্র।
    পাড়ে বসে দেখি কি বা –
    নৃত্যরত নটরাজ, তান্ডবে মত্ত।
    দোলায় গাছের মাথা,
    নুইয়ে পড়ে মাটিতে।
    জন্মই কী ভুলে গেছি?
    গেছি কি ভুলে শিকড়?
    আস্তাবলে বাঁধা প্রাণীরা
    তারা তো পরাধীন নয়!
    তবে জ্বলুক না আলো,
    আঁধার ঘনিয়ে যাক,
    মুছে যাক যত গ্লানি।
    ছেঁড়া গিটারে সুর উঠুক
    আবার গঙ্গার ঘাটে ফেরার।
    ফিরে পাক মাটি, উদ্ধত চারাগাছ!
    শিকড় খুঁজে পাক হারাধন।

    ২| আর একটু সময় বাকি

    শেষ সময় আসীন; এখন তুমি গাইতে বলছ!
    সবুজের ফিকে রং, বৃষ্টির জলে ধুয়ে গেছে;
    রাতের আকাশে জোনাকীরা মর্মাহত।
    নদীর স্রোত ম্রিয়মান, মন অতল খুঁজে পেয়েছে।
    মাছরাঙার নীল ডানায় আলো মিলিয়ে গেছে;
    বক তীরে দাঁড়িয়ে, মাছের পোনা চরা দেখে।
    রিদি আজ সাগরের অতলে, ধূলীয়মান!
    আকাশের বর্ষণরত বরফের গোলা,
    ব্যথা লাগে বড়ই উল্কার মতো;
    যুবতী ধরণীর উন্মুক্ত বুকে।
    পাওয়া হল না আর প্রেয়সীর বুকের মধু,
    এক চুমুক; পেলে অমৃত বোধ হয়।
    থাক তবে, আর গাইতে বোলো না
    অন্তিম লগ্নে, একটু শুনি অশ্রুর দাপট!
    জীবনের কলকাকলিতে ভরা গান,
    ফুরিয়ে যাবে, মনের রেডিয়োতে তানপুরার তান।।

    Spread the love
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •