গদ্য বোলো না-তে রাহুল গাঙ্গুলী

    0
    7
    Spread the love

    সভ্যতা ~ পুণর্বৃত্ত ~ ও ~ তারপর

    (বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা-র জীবনী অবলম্বনে কিছু কথা)

    চোখ রাখছি আতস কাচে।সেরামিক্ তাপমাত্রা পেরিয়ে ~ ভেদ হচ্ছে কাচের আড়াল।কাচ গলছে ~ গলা কাচ ~ কাচের আংশিক বিকিরণ ~ বিকিরণ পর্যাপ্ত সংশ্লেষ ~ অতিকায় ধূমকেতু-ভ্রূণ।মহাশূন্যে ছু্ঁড়ে ফেলছি মহাকাশ ~ জ্যোতিষ্ক আলো ~ ব্রহ্মাণ্ড সমীকরণ ~ ঘুরছে পৃথিবী।পৃথিবী-র ৩ভাগ জল।জলজ সমীকরণে ভাসছে ০।ভাসছে অসীম।অসীম আবরণ।বর্ণহীন।স্বাদহীন।গন্ধহীন।আকারহীন।নৈশব্দের আপেক্ষিক অবয়ব ~ টপটপ্ ঈশ্বর ঝরছে ক্রমাগত।সম্পূর্ণ আলোড়ন।তোলপাড়
    সম্প্রতি তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ নির্ভর গবেষনার বিবর্তনে সবচেয়ে আলোচিত নাম বিশ্ববরেণ্য বাঙালী বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু।কারন, বর্তমান ডিজিটাল দুনিয়ায় যখোন 5G পরিষেবা আসতে চলেছে বা স্যাটেলাইট চর্চা ভীষণভাবে প্রভাবিত করছে, দৈনন্দিন ডিজিটাল জীবনধারন চর্চা, তখন এসবের পথ প্রদর্শক এই বাঙালি বৈজ্ঞানিকের আবিষ্কৃত তত্ত্ব।কিন্ত আজ অধুনা ডিজিটাল চর্চা বা বেতার গবেষণার পথিকৃৎ আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসুকে নিয়ে নয়, বরং আলোচনা করবো আরেকজন বিজ্ঞানী এবং মহাপুরুষ-কে নিয়ে, যার আবিষ্কৃত থার্মো-আয়োনাইজেশন্ তত্ত্ব পৃথিবীকে দেখিয়েছিলো জ্যোতির্বিজ্ঞান তথা কসমিক-পদার্থবিদ্যার নতুন ধারা।শুধু তাই নয় ~ জগতবিখ্যাত পদার্থবিদ স্যার অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের তুমুলভাবে আলোচিত হওয়ার কেন্দ্রবিন্দুতেও হয়তো এই মহাপুরুষের নাম থাকবে।মহাপুরুষ কথাটি সচেতনভাবেই বলা, কারণ ১জন বিজ্ঞানী ~ তথা চিন্তাবিদ ~ তথা মানবজাতির বিকাশকারী মানুষ : এই শব্দটিই আগে ব্যবহার করা উচিত।হ্যাঁ ~ ঠিকই আন্দাজ করেছেন : আজকের আলোচনা ডঃ মেঘনাদ সাহা-কে নিয়ে।
    জন্ম ১৮৯৩ সালে, বর্তমান বাংলাদেশ অবস্থিত রাজধানী ঢাকা থেকে ৪০কি.মি. দূরের শ্যাওড়াতলী গ্রামে।শৈশবে আর্থিকভাবে নিম্নমধ্যবিত্ত মেঘনাদের বাবা জগন্নাথ সাহা ছিলেন মুদী দোকানী।ছোটোবেলা থেকেই আর্থিক অসচ্ছলতা গ্রাস করেছিল ৮ সন্তানের ভিতর ৫ম ~ মেঘনাদ-কে।হয়তো মা না থাকলে বালক মেঘনাদ-কে পড়াশুনো না করে বাবার দোকানেই কাজ করতে হতো।কিন্তু সময় ১ আশ্চর্য সমীকরণ ~ বিদ্যালয়ের শিক্ষায় অত্যন্ত ভাল ফল করে কিশোর মেঘনাদ ১৯০৫ সালে পূর্ণবৃত্তি নিয়ে ভর্তি হলেন ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে।সে সময় চলছে লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গ ~ উত্তাল বাংলা বিভাজনের বিরোধীতায় জড়িয়ে পড়লেন সদ্যকিশোর মেঘনাদ।ফলতঃ বৃত্তি বাতিল এবং স্কুল থেকে বহিষ্কার।কিন্তু আবার সেই সময়ের আশ্চর্য সমীকরণ ~ পাশে দাঁড়ালেন তার দাদা ~ ফলতঃ ঢাকা কলেজ থেকে পদার্থবিদ্যা ও গণিতে রেকর্ড নাম্বার পেয়ে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ।
    এরপর কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি এবং ১৯১৩ সালে গণিতে BSc সম্পন্ন।যদিও তার এই পথটুকুর উত্তরণ সহজ ছিলো না।নিম্নবর্ণীয় বংশজাত হবার কারণে পেয়েছেন অবহেলা।হোস্টেলে একসাথে খাওয়া তো দূরের কথা, কলেজে সরস্বতীপূজা-তেও অঞ্জলি দিতে বাধাদান করেছে প্রগতিশীল সহছাত্রের দল।দমে যান নি যুবক মেঘনাদ, বরং আরো দৃঢ়চেতা হয়েছেন।প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য ~ এই সময়ে সহপাঠী হিসেবে পেয়েছেন বরেণ্য পদার্থবিদ সত্যেন্দ্রনাথ বসু এবং শিক্ষক হিসেবে রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, পদার্থবিদ ও জীববিজ্ঞানী আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ও গণিতবিদ দেবেন্দ্রনাথ মল্লিক মহাশয়দের।দেশভক্তি ছিলোই, বরং এইসব বরেণ্যদের সংস্পর্শে এসে উদ্বুদ্ধ হলেন দেশের সেবায় বিজ্ঞানকে কাজে লাগানোতে।
    এই সময়পর্বে বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অস্ট্রিয়া ফেরত ১ রসায়নবিদের কাছে তিনি শেখেন জার্মানি ভাষা ~ যা তাকে বিশ্ববিজ্ঞানের ইতিহাসে ১ম উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সহায়তা করে।১৯১৯ সাল।কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনার সময় বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বোস-কে নিয়ে স্যার অ্যালবার্ট আইনস্টাইন ও হারম্যান মিণকোস্কির লেখা আপেক্ষিকতাবাদের গবেষণাপত্রটি ১ম বার জার্মান ভাষা থেকে ইংরেজি-তে অনুবাদ করলেন মেঘনাদ।আর তা গোটা বিশ্বে তুললো তুমুল আলোড়ন, যা এখনো ক্লাসিকাল পদার্থবিদ্যার চূড়ান্ত ভিত ~ বা বলা ভালো ~ বর্তমান পদার্থবিদ্যার এগিয়ে যাবার সোপান।
    %%% আলো ~ ভর ~ ভরবেগ : মুছে দিলাম।ফিরে এলো।নোনা হ্যারিকেন।সামুদ্রিক ইথার।টলমল বুনোঘাস।জলীয় গ্রহ।শাদাসাদা ফসল।পৃথিবীর জীবাশ্ম ~ প্রাণ / তুমুল প্রাণ ~ বরফ / চাকতির বরফ ~ উপত্যকা।অন্ধকার।লোভ।শিকড়।নদী।নদীফুল।নদীফল।সঙ্গম।
    কলিং ~ ঘাস+ঘাস @ শস্যখেত.মাঠ।রিসিভ ~ বরফ+বরফ @ ভরকেন্দ্র.আকরিক লোহাক্ষেত।ট্রান্সফার ~ dxq @ dxq.dxq।সিগনাল ~ সংরক্ষন @ EOQ.ফসিলস্।শব্দ Q ~ শব্দ X ~ নিঃশব্দ ~ ঝুরোপাতা ~ বলয় ~ গ্যালাক্সি রসায়ন ~ ওমেগা ~ করোনা ~ করেলা ~ কোর্ ######
    আপেক্ষিকতাবাদের গবেষণাপত্রটি অনুবাদের পরপরই একই বছরে ডঃ সাহা শুরু করলেন জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে গবেষনা ~ উল্লেখযোগ্য :
    সৌর-উদগীরন, করোনা এবং সূর্য অভিমুখের বিপরীত দিকে ধূমকেতুর ল্যাজ অবস্থান সংক্রান্ত বিষয়।ম্যাক্স প্ল্যাংক-এর থার্মোডায়ানামিক্স ও তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ এবং জেমস্ ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল-এর আলোর তীব্রতা ও চাপ সংক্রান্ত গবেষণা & ফলাফলের উপর নির্ভর করে তরুন বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা আলোকণার শক্তি ও ভরবেগের অবতারণা করেন এবং ধূমকেতুর প্রকৃত আচরণ ব্যাখ্যা করেন।তিনি বলেন ~ আলোর কোয়ান্টা পরমাণুতে তখনই চাপ প্রয়োগ করে, যদি সেই পরমাণু বিকিরণটিকে শুষে নিতে পারে।উদাহরণরূপে তিনি দেখালেন ~ হাইড্রোজেন আলফা লাইন, আলোর ১টি পালস্ শুষে নিলে হাইড্রোজেন পরমাণুটির সেকেন্ডে ৬০ সে.মি. গতিবৃদ্ধি হচ্ছে।এই বিষয়েই তার ১ম মৌলিক গবেষণাপত্র ১৯১৯ সালে ~ On Selective radiation pressure and its application, প্রতিষ্ঠা করেন তার বিখ্যাত ‘সাহা সমীকরণ’।
    পরের বছর ~ আরো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।তাঁর তাপীয় আয়নীকরণ তত্ত্ব (theory of thermal ionisation) ~ সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রের আভ্যন্তরীণ ক্রিয়া, রাসায়নিক গঠন, মৌল ঘনমাত্রা এবং পৃষ্ঠীয় মাধ্যাকর্ষন সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে নতুন দিক নির্দেশিত করে।এখানে তিনি আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং নীলস্ বোরের অ্যাটমিক্ স্ট্রাকচারের উপর ভিত্তি করে দেখান : নাক্ষত্রিক পরমাণুসমূহের বিকর্ষণ বল অনুভবের জন্য বিকিরণ চাপ দায়ী।প্রতিষ্ঠা করেন তাঁর বিখ্যাত সাহা আয়নাইজেসন সমীকরণ ~ যা জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানে বর্ণালি-র সমীকরণ নামে পরিচিত ~ যার দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট মৌলের আয়নাইজেসন মাত্রা গণনা করা যায়।কয়েক বছরের মধ্যে আরো ১টি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার ~ আলোর পালস্ ও শক্তির সাথে সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে মহাকাশে কম্পটন্ প্রভাব অনুমান ও নিরুপন, যেটি পৃথিবীতে কোয়ান্টাম তত্ত্বের অতি গুরুত্বপূর্ণ সংশয়াতীত প্রয়োগ।কম্পটন্ প্রভাব হলো দৈর্ঘ্যের তরঙ্গের ভিতরে থেকে ইলেকট্রন কণার গতি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন, যার সূত্রপাত ঘটায় কোয়ান্টাম মেকানিকস্ বিষয়ের।
    ধূমকেতুর আচরণ সম্পর্কিত গবেষণা অথবা আয়নাইজেসন মাত্রা গণনার সমীকরণ ~ যার দ্বারা জ্যোতিবর্ণালি সংক্রান্ত পরিমাপগত গণনার সাহায্যে নক্ষত্রগুলির নির্দিষ্ট শ্রেণীবিন্যাস করা হয়েছে এবং করা হয় : এইসকল উল্লেখযোগ্য কাজের জন্য বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা নির্বাচিত হলেন লন্ডন রয়্যাল সোসাইটির ফেলো।সাল ১৯২৭
    কার্বোনেটর ~ ধোঁয়া ~ হাইড্রোজেন্ ~ ইনফরমেটিক্স ~ কিলিমাঞ্জারো ~ কথাকলি ~ বরফ ~ ফর্মালিন্ ~ খাদক্ পোকা ~ খাদ্য ত্রিভুজ ~ প্রোফেসর জীমূতবাহন : বিশ্বাস করুন বা নাহ্ ~ মাত্রার অবকলন : মনে হয় গবেষণাগার ১-তুমুল জাদুক্ষেত্র ~ আগামী প্রজন্ম : জাদুদন্ড গলিয়ে ক্যালকুলেট্ করছে গাছ ~ শিকড়সমেত পরমাণু শরীরের ম্যামথ্ : উষ্ণতা বাড়ছে ~ হিশহিশে ~ সেমিকন্ডাক্টর স্রোত ~ যযন্তরম্ – মমন্তরম্
    হ্যাঁ ~ শেষ লাইনটা হয়তো বলয়চ্যুত মনে হতে পারে।কিন্তু ~ রিংব্যাক্ : ডিজিটাল ন্যানো বোতাম ~ হয়তো আয়নাইজেসন শব্দকল্পদ্রুম্-কণায় √[∝]≡তীব্রতর শঙ্খচূড়-বরফ : এরপর ফ্যারাডে লিপিড্ ~ পতিত্ পাথর [সন্দেহভাজন] = {{{{হুশ্}}}} ‘শান্তি পতাকার শীতলায়ন log^0 ∫[থার্মাল কুহুতান]
    বিপ্লবী বাঘাযতীন ও পুলিনবিহারি দাস ~ সংস্পর্শে সশস্ত্র আন্দোলন ~ এমনকি স্বাধিনতা বিপ্লবের স্বার্থে সক্রিয় মাউজার্ বন্দুক লুঠের পরিকল্পনা ~ দায়িত্ববোধ ~ সাথে যদুগোপাল মুখার্জি ~ এমনকি ১৯১৯ : ভিকসাশ্ প্রতিরোধ ~ জালিওয়ানওয়ালাবাগ ~ দীর্ঘতম শব্দ ~ প্রিজম ভাঙচুর : আমরা দেখতে পাই বিরলতম ঘটনা ~ যেখানে ১জন বৈজ্ঞানীক্ মুক্তিকামী সূর্যদয়ের সন্ধানে সরসরি সাম্রাজ্যবাদী-র বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে জড়িত
    ১ম মানুষ ~ আকাশ আবিষ্কার করে______
    ২য় মানুষ ~ লার্ভা-শব্দে : নদী ~ সামুদ্রিক ব-দ্বীপ
    ৩য় চোখ ~ খনিজ মা : জন্মদাত্রী মাটিস্পর্শ ~ ০ |০|
    নদী ব্যবস্থাপনা, রেলওয়ে প্রতিষ্ঠার ট্র্যাক খোঁজা, বিদ্যুৎব্যাবস্থার সরলীকরণ প্রয়োগ, ইত্যাদি অনুঘটক ~ বৈজ্ঞানীক্ মেঘনাদ লড়লেন্ সত্যিকারের আগামী ভারতবর্ষের জন্য ~ বিশ্ব মানবতার জন্য : উইদাউট্ টেরিটরি : ১অভিন্ন সূচক প্রযুক্তির ভারত ~ নদী।সেতু।জল।ফসল।মেঘ।বৃষ্টি
    ১৯৩১ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ~ Academy of Sciences of the United provinces of Agra and oudh এবং পরের বছর তিনি এর প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হন।বিশ্ব বিজ্ঞানের ইতিহাসে তো বটেই, এমনকি মানবতার স্বার্থে মেঘনাদ সাহা প্রবল অনুপ্রেরণা।এরপর সাল ১৯৩৪।প্রতিষ্ঠা করলেন Indian Science News Association এবং এই অ্যাসোসিয়েশনের সহায়তায় ব্রিটিশ জার্নাল natureএর মতো প্রকাশ করতে শুরু করলেন দেশীয় জার্নাল Science and Culture ~ মৃত্যুর শেষদিন অবধি তিনি পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন।জার্নালটির মুখ্য উদ্দেশ্য ছিলো সহজ ভাষায় বিভিন্ন গবেষণাপত্র প্রকাশ ~ যা সাধারন মানুষের বোধগম্য হবে এবং দূর হবে কুসংস্কার ও উন্মুক্ত হবে নবীন গবেষণার পথ, পরিষ্কার হবে দেশজ্ সমস্যার পাহাড়।তিনি চেয়েছিলেন ~ জনগনের ভিতর বিজ্ঞান চেতনার প্রসার, জাতপাত দূরীকরণ, সরকারের ঘোষিত নীতিগুলোর গঠনমূলক আলোচনা, সাংষ্কৃতিক ও মাণবিক চর্চার প্রসার, মানুষের মধ্যে সমতা-র পরিচর্যা, ইত্যাদি এই জার্নালটির মূল লক্ষ্য হোক।১ম সংখ্যাগুলিতে তার কয়েকটি গবেষণাপত্র ও লেখা খুবই উল্লেখযোগ্য ~ যেমন Ultimate Constituent of Matters (সমসাময়িক নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞান, বোর-এর পরমাণু মডেল এবং তেজস্ক্রিয়তার অগ্রগতি বিষয়ক), The March Towards Absolute Zero (জার্মানির নানস্টার গবেষণাগারে থাকাকালীন মহাশূন্যের চর্চা এবং পরিবেশ ও মানুষের সম্পর্ক বিষয়ক), The Existence of Free Magnatic Poles (ব্রিটিশ পদার্থবিদ পল ডিরাকের তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যার ধারনা এবং একক চুম্বক মেরুর অস্তিত্বের সম্ভাবনা বিষয়ক) এবং Spextra of Comets (ধূমকেতুর বর্ণালি বিষয়ক)।জার্নালে খোলামনে তিনি আলোচনা করতেন, যে কারনে স্বাধীনোত্তর ভারতবর্ষের ১ম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর সাথে তিক্ততাও সৃষ্টি হয়।
    ∝ কণাগুলির মুখোশ ~ সাঁতার কাটলে : সেমিযুক্ত ল্যামিনায় রডডেনড্রন পিরামিড।বোমারু আকাশ ~ মেঘ ও মেঘের স্থিতিস্থাপকতা ~ গড়িয়ে পড়ছে তড়িৎ চুম্বকের ∂ প্রভাব ≅ স্থিরাঙ্ক বিন্যাস : ব্যাটারির ¼ ভূ-ত্বক কোষ ~ সন্দেহ Ω [সাংখ্যমতের একক : ㎯]
    সালটা ১৯৪১।২য় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা নিশ্চিত।এমতাবস্থায় বিজ্ঞানী সাহা উদ্যোগ নেন : নিউক্লিয় গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার।বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর আর্নেস্ট লরেন্সের সাথে গবেষনারত পদার্থবিদ ও তার ছাত্র বাসন্তী দুলাল নাগ চৌধুরি দেশে ফিরে এলে ~ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে একসাথে তৈরি করেন দেশের ১ম সাইক্লোট্রোন।বিশ্ববিদ্যালয় প্রভাবমুক্ত দেশের ১ম নিউক্লিয় পদার্থবিদ্যার প্রতিষ্ঠান কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয়।সাল ১৯৪৯।আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্রিটিশ পদার্থবিদ ও কুরি-দম্পতির কন্যা আইরিন জুলিও-কুরি।
    ১৯৫৬ সালে পরলোকগমন করেন এই বাঙালি মনিষী।আমাদের জন্য রেখে যান ভবিষ্যৎ সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নফসল ~ যা ফলাবার দায়িত্ব কেবলই আমাদের।আর এটাই হয়তো তার কাজগুলির প্রকৃত মূল্যায়ন এবং স্বীকৃতি।
    এই মহান বৈজ্ঞানিক : স্মৃতিচারণায় ধ্রুপদ্ ~ ভ্রূণার্থ : কসমোজিও কাজ ~ নিশ্চয়তার নেইনেইকো খোপ ~ স্নায়ুবিক উপশিরা : নদীমাতৃক ইস্তেহার ~ শিকড়ের পরমাণু ~ ঈশ্বর নামের ভিতর : বুড়ো S I G N A L = ঘুম ভাঙানোর জ্যামিতি
    শব্দরূপ : রাহুল গাঙ্গুলী
    তথ্য সূত্র : physics today-তে প্রকাশিত Meghnad Saha : Physicist and Nationalist প্রবন্ধ এবং মুক্তমনা ব্লগ ও ইন্টারনেট লব্ধ বিভিন্ন সাইট্

    Spread the love