কবিতায় কৃষ্ণচন্দ্র পাল

0
11
Spread the love

শেষ মূলধন

শরতের হাওয়া বইতে শুরু করেছে
বর্ষায় জন্মানো বাঁশ ফোঁড় গুলির
পেটো ছাড়ছে এক-এক করে।
পাশের নাম না জানা বাড়িটির
ছাদ ঢালাই হয়নি এখনও
ডেইলিপ্যাসেঞ্জারদের বকবক থেকে
তুলে নিতে হবে কয়েকটি শব্দ
সেইসব শব্দের ভেতর আমি গলিয়ে দেব
আমার অতীত, ভবিষ্যত ও বিধানসভা নির্বাচন।
প্রশ্ন চিহ্ন গুলো ক্রমশ বড় হতে হতে
গিলে খেতে চাইছে আমাকে
এই অনুন্নত মাথা নিয়ে
মানুষের মত বাঁচা যায় না –
ঘোড়াদের আস্তাবল এখন হাউসফুল।
আজ আর আমাকে বইতে হবে না
সমস্ত বিষ্ময় সূচক চিহ্ন গুলি
পৃথিবীর এক কোণে ক্ষুদ্র – নগণ্য
আমিও কিন্তু ঘুরছিই…
বিকিয়ে যেতে যেতে পুঁজিটাই
ক্রমশ শেষ হয়ে আসছে আমাদের।

হেল্পলাইন

মাকড়সা গুলো বাসা বেঁধেছে বইয়ের পাতায়
শেষ হতে হতে যখন
আরেক পা শেষের দিকে
তখন তাকিয়ে দেখি
হাত ধরার কেউ নেই।
কোনো কণ্ঠস্বরও ভেসে আসেনি আমার জন্য
শুধু কয়েকটি হেল্পলাইন খোলা ছিল।

Spread the love