মেহেফিল -এ- শায়র ইয়ার ইগনিয়াস
কবি
ঘরে বা বাইরে যেখানেই যাই
ফণা-প্রবণ সাপের মতন তাকাই নির্নিমিখ
ঘূর্ণায়মান ফ্যানের দিকে–
কেবলই মনে হয়–
ক্ষয়িষ্ণু নাটের টংকারে মিশে আছে কারও সঙ্গোপন চিৎকার!
সিলিঙের চাঁদে বায়ুমান যন্ত্রটি যেন
কারও দীর্ঘশ্বাস কপি করে ছড়াতেছে ঘরময়!
হাওয়ার শীতল প্রবঞ্চনা পরখ করে দেখি;
মুখের মেকি প্রসাধন ভেদ করে বেরিয়ে আসে বিষণ্নতার বিউটি
বিষণ্ণতার বিউটি হলো আল্লার নূর তূরপাহাড়ের মতো ভষ্ম হতে থাকি ভিতরে ভিতর
আর–
ঘূর্ণায়মান ফ্যানের হাওয়ায় ছড়িয়ে পড়ার আগে বলে যাই–
‘যারা আত্মহত্যা করে তারা মূলত কবি
কিন্তু কবি মাত্রই আত্মহন্তারক নয়’
ক্লিভেজ
কার ক্লিভেজ ছুঁয়ে আসে সন্ধ্যার অন্ধ হাওয়া!
এসে, আমার বুকের লোমশ বাগানে
চিত্ত-চাতালে, তুলেছে মাতাল ঘূর্ণি!
এই বৃষ্টির রাতে দৃষ্টিহীন হাওয়া
আসেনি তো কোনো ভুল ঠিকানায়!
এই ভেবে
এই বোবা বায়ুর হাত ধরে বেরিয়েছি
খুঁজিতে তাহার বায়ো
ততক্ষণে সমস্ত ক্লিভেজ জড়ো হয়ে
পৃথিবীতে নামায়েছে রাত
গন্ধের বরাত দিয়ে সেই ক্লিভেজ
আমি আলাদা করতে পারিনি
যেই গন্ধ আমারই বুকে লোমশ বাগানে
চিত্ত-চাতালে তুলেছে মাতাল ঘূর্ণি!