কবিতায় রঘু জাগুলীয়া

নীলকন্ঠ

নিদাঘ শব্দে একটি পাখির বুকে লাগে তীর
–হয়তো
পায়রাগুলি নিশ্বাস হারিয়েছে রক্তবর্ণ পুকুরে;
অথবা হলুদ হয়ে আছে পাখিটি,
নিয়তির অন্তর্জালে ভিখিরি করে তুলছে সুর
একটি ঝর্ণা যেন আদ্যপ্রান্ত উদাসী সন্তুর
উসকোখুসকো: সংখ্যার জীবন ঝিলপাড়ে হেলান
দিয়ে রোদ পোহায় সাপের খোলোসে
অথবা সূর্যশিখরতলে সকালের সূর্যমুখী ফুলের মতো
নিরিবিলি দুটি মুখ পরস্পরে কাছে এসে অদৃশ্য হয়।
কারো কারো দ্রুত গাছ ,পেরিয়ে যাওয়া যানজট,
কালবসন্ত,স্থির অথবা অশ্রু
এখানেও সমস্ত ঘূর্ণির মধ্যে সেই দুটি
মুখ,স্পষ্ট,বিরামহীন।
কখোনো গুনগুন করে গুড়ো মেঘে মেঘে
নিবেদিত হয়ে ওঠে ছলছল
গুড়িগুড়ি ভিজে যায় পথচাওয়া
গাছগুলি বাতাসে বাতাসে অস্থি’র মতো জর্জরিত হয়ে
নিকট বিন্দুগুলি ক্রমশ হারিয়ে যায়
ঠিক নির্ভার দুজন এবং
জানালার ওপাশে একসময় দুজনেই একটি নামে পরিচিত হয়ে উঠে: নভোনীল অথবা নীলকন্ঠ।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।