• Uncategorized
  • 0

স্মরণ ২০০: কবিতায় বিশ্বজিৎ হালদার

প্রসঙ্গ বিদ্যাসাগর

ভেবেছিলাম সারা পৃথিবীকে
ঋণী করে যাবো-
বীরসিংহের ঈশ্বর হয়ে নয়,
অক্ষরের কারিগর সেজে।
শুকনো কাঠে লুকিয়ে থাকে আগুন যেমন
বোবা মুখের ভাষায় ফুটবে,
অগোছালো বর্ণমালা।
ঈশ্বর শব্দের মত
রেখে যাবো কিছু লেখচিত্র ,
ধারাপাতের  উঠানে একদিন
তাঁরা হয়ে উঠবে;
হাজার শব্দের পরিবার,,,, আদর্শলিপি।
চলমান সভ্যতা সবকিছু শুষে নিচ্ছে ,
দাবানলের মতো নিজে পুরছে
আর উপহার দিচ্ছে,
পরম্পরার অপমৃত্যু!
ছুটির দিনে ছেলেটার ঘুমোনোর ইচ্ছে,
মাস্টার মশাই তাকে মঞ্চে ডেকে বলেন –
আজ বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্ম দিন
ছেলেটি মুখস্থ অভ্যাস বলে যায় কবিতা।
ইংরেজি মিডিয়ামের ছেলেটি বলে
আমার বাংলাটা ঠিক আসে না
সে জানে না মা উচ্চারণে
ম ‘আ বলতে হয়।
ওঁরা বাংলা বর্ণমালার সদস্য।
আজ ডাকবাক্সে চিঠি  জমেনা,
দুরন্ত অক্ষর গুলো বন্দি-
যান্ত্রিক  কারাগারে,
কম্পিউটার কিংবা মোবাইল কিবোর্ডে।
বিদ্যাসাগর নাম চাইনি ,
আমার বর্ণমালা তুই বেঁচে থাক
সূর্যমুখী না হোক
আজন্ম শব্দের ঈশ্বর হয়ে ।
Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!